পোস্ট

মার্চ, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আমার অভিজ্ঞতা

ছবি
কদিন আগে আমার মায়ের ডাইরিয়া হয়েছিল। হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হয়েছিল। আমাদের শহরের সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে (সরকারি) হাসপাতালেই ভর্তি করেছিলাম। সেখানে আমার বেশ কিছু জিনিস চোখে পড়েছিল যেগুলো সাধারণ মানুষ হিসাবে আমার মনে হয় উন্নতির প্রয়োজন আছে - ছবি - গোবিন্দ দেওঘরিয়া   যখন জরুরি বিভাগে, রোগীকে ভর্তির জন্য নাম নথিভুক্ত করছিলাম, তখন একজন ডাক্তার কি হয়েছে , কি অসুবিধা ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করছিল। তারপর একজন নার্স নাম ঠিকানা নথিভুক্ত করল। এক্ষেত্রে আমার মনে হয়, এখানে রোগীকে অপেক্ষা না করিয়ে তাড়াতাড়ি রোগীকে ভর্তি করে, তৎক্ষণাৎ অন্তত তার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা উচিত।  যাইহোক তারপর রোগীকে ৩ তলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু রোগী খুব দুর্বল ছিল, হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। স্ট্রেচারের ব্যবস্থা করা হল, কিন্তু ওরা বলল স্ট্রেচার ঠেলে নিয়ে যাওয়ার কেও নেই রোগীর বাড়ির লোককেই ঠেলে নিয়ে যেতে হবে। এটা তো অবাক ব্যবস্থা, আমার মনে হল কিছু লোক এই কাজে নিযুক্ত থাকা প্রয়োজন যারা স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার করে রোগীকে গন্থ্যবে পৌঁছে দেবে।  তারপর তো ফিমেল ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল, সেখানে নার্সরা প্রেশার, সুগার টেস্

আমি ডিপ্রেশনে আক্রান্ত!

ছবি
 ধরো আমার দুই বন্ধু, রাম ও রহিম। রাম বেশ খোলামেলা প্রকৃতির, সবার সঙ্গেই চট করে মিশতে পারে, ওর বন্ধুবান্ধবের সংখ্যাও অনেক; অন্যদিকে রহিম একটু অন্তর্মুখী প্রকৃতির, সবার সাথে চট করে মিশতে পারে না, আমাকে ছাড়া ওর তেমন আর কোনো বন্ধু নেই। রাম থাকে যৌথ পরিবারে, বেশ বড়সড় পরিবার, অনেক সদস্য; অন্যদিকে রহিম থাকে ওর মা ও বাবার সাথে একটা বাড়িতে, বুঝতেই পারছো ওদের বাড়িতে তিনজন মাত্র সদস্য।   কদিন আগে শুনলাম ওদের মধ্যে একজন ডিপ্রেশন (অবসাদ) ও এংজাইটি (উদ্বেগে) ভুগছে! শুনে খুব বিস্মিত হলাম। তোমরা কি এবার আন্দাজ করতে পারছো, ঠিক কার ডিপ্রেশন হয়েছে? রাম নাকি রহিম? আমার উপরের বর্ণনা শুনে তোমার স্বাভাবিক উত্তর হবে রহিম। এটাই কিন্তু স্বাভাবিক উত্তর। কিন্তু এবার আসল উত্তরটা শুনে তুমিও আমার মতো বিস্মিত হবে। রামের ডিপ্রেশন হয়েছে। অবাক হলে? স্বাভাবিক! মানসিক অবসাদ বা উদ্বেগ হল এমন একটা সমস্যা, কার সাথে যে হবে তার কোনো ঠিক নেই। বিভিন্ন পরিবেশগত, জিনগত ইত্যাদি বিষয়ের ওপর এইসব জিনিস নির্ভর করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রায় ২৬৪ মিলিয়ন (সব বয়সের) মানুষ ডিপ্রেশনে আক্রান্ত। কিন্তু

ধর্ষণ ও আমরা

ছবি
 সেদিন খবরে দেখছিলাম, মহারাষ্ট্রের একজন সরকারি কর্মচারী এক স্কুল পড়ুয়া নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছে। পকসো আইনে সে নিয়ে মামলা চলছে। সুপ্রিম কোর্ট অভিযুক্তকে অফার দিচ্ছে, অভিযুক্ত যদি ধর্ষিতা মেয়েটিকে যদি বিয়ে করে তাহলে তার চাকরিও যাবে না এবং শাস্তিও হবে না। নানা কোনো সিনেমার গল্প নয়, একেবারে বাস্তব ঘটনা! বিশ্বাস নাহলে আনন্দবাজারের খবরটি পড়ে নিতে পারেন [খবর] । সত্যি এক উদ্ভট ঘটনা, ধর্ষণ করে বিয়ে করে নিলেই কি সব দোষ মাফ?    আবার এমনও হতে পারে, যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে (কিম্বা তদ্বিপরীত হয় ), তাহলে কি তাদের আরেকবার বিয়ে দিয়ে দেবে মহামান্য আদালত!? অনেকে ভাবতে পারেন বিবাহিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যেও কি আবার ধর্ষণ হতে পারে, আমি বলব কেন হতে পারে না! প্রতিটি সম্মতিহীন জোরপুর্বক হওয়া যৌন মিলনই ধর্ষণ; তা সে নারী, পুরুষ বা অন্য যেকোনো লিঙ্গের উপরেই হোক না কেন। যৌনতা যেহেতু সার্বজনীন সেহেতু ধর্ষণও সার্বজনীন অর্থাৎ ধর্ষণ যার কারো সাথেই ঘটতে পারে, লিঙ্গের সাথে ধর্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই। অনেকের মনে এক ভ্রান্ত ধারনা বর্তমান থাকে যে ধর্ষণ শুধু নারীদের উপরেই হতে পারে, কিন্তু ধর্ষণ পুরুষ সহ্ অন্যান্য